কুঁড়েঘর থেকে উঠে আসে ইন্দ্রজাল অবোধ দৃশ্যপটে
পথ থেকে যেমন ধুলো মেখে বাড়ি ফেরা
নিরুচ্চারে ভেঙে যাচ্ছে একটু একটু করে
ফাটলের রেখা বেড়িয়ে পড়ছে
কলমিলতায় ফুল ফুটে উঠছে পুকুরে
ছায়াতরু জানে শান্তি বারতা
ঘ্রাণ ছুঁয়ে ফিরে ফিরে যাওয়া
জলজ উদ্ভিদের খোঁজে
জলাশয়ে লেগে থাকে পিপাসা
একটি তাঁবু অপেক্ষা করে
মিইয়ে পড়া মানুষগুলোর জন্যে
তাঁবুর জীবন
বরেণ্য লোকেরা কিছু কম বুঝতে পারে
ব্যবহৃত হতে হতে চামচা মানুষ
খোলসের রং বদলায়
অরণ্য জাগতে থাকে একটু একটু করে
দিশাহীন লাবণ্য ঝরে
গাছগাছালি সবুজ হতে থাকে
এই দেখো কী পূর্ণতা, অমলিন ভাব
কিছু অমায়িক কথা
তন্দ্রা নিয়ে আসে
বোতলে ভরে রাখা আচার যেন
নির্নিমেখ চেয়ে আছি
কে জানি পিছন থেকে
সার্কাসের মায়াজাল তুলে ধরে
কুহক নেই
অবসাদ মাড়িয়ে
কিছু উষ্মা হেঁটে যাচ্ছে
ঘুম থেকে জেগে উঠছে মায়াবাস্তব
ভাটি গাঙে দেখা হবে
আনাচে কানাচে মায়া পড়ে আছে
ভ্রম হয়, উজানে যাওয়া ঠেকায় কে
শ্রান্ত প্রতিদিন,নাবিক এক নড়েচড়ে বসে
সময়কে তুচ্ছজ্ঞান করে
কারা এগিয়ে যেতে পারে জানা নেই
অষ্টপ্রহর গান লেগে থাকে।
লোকলাজ ভুলে গণিতের পথ ধরে
যুদ্ধসাজ চলে
মোচ্ছব সেরে ছন্নছাড়া এক নগরবধূ
আধো ঘুমে জাগতে থাকে
সংকেত পাঠায় পরম্পরা
ছদ্মবেশ না ধরেই অনর্গল
জাদুঘর থেকে মানুষ বেরিয়ে আসে
উল্লাস করে, কেউ কেউ দীর্ঘশ্বাস ফেলে
রীতিনীতি ভুলে যায়
স্মারক চিহ্নগুলি প্রত্যাশা বাড়ায়।
কিছু না কিছু সংলাপ তৈরি হতে থাকে
নাশকতা জানা নেই
নুন লঙ্কা ছিটাও কেন
জ্ঞানগম্যি নেই স্বভাব অমন
গোপন দাবদাহে জ্বলে
মনস্তাপ ভুলে হাবুডুবু খায় এক বালক
বানভাসি, কেঁপে ওঠে জননী
সম্বিত ফেরেনা মেয়েটির।
বালিয়াড়ি ভরা নদীটির দিকে
হাঁটতে থাকে পুরনারী
অকুতোভয়
লক্ষ্যভেদী বাণ ছোঁড়ে কে
কোনও আদল নেই
বক্তৃতা করো না।
জাহান্নমের পথ দেখা যায়।
No comments:
Post a Comment