অভিযোগ বিছুটি পাতার মত চুলকোয়
সময় এগিয়ে আসে চুমু খায়, দাপায়
হয়তো জানা নেই
অক্লেশে আমার দিনগুলো
ভালোবেসে কাছে এগিয়ে আসে
শ্যাওলা পড়ে আছে
উঠোনে পা রাখতে ইতস্তত বোধ
সৌধ নির্মাণ হয়নি এখনও
তপোবনে হাঁটে রাইকিশোরী
এলোচুলে ফুরফুরে হাওয়া
পতাকার নিচে দাঁড়াতে ভয়
চরণতলে মরণ
স্বচ্ছ নই,
এও হতে পারে রাজনীতির অজগর
এতো যত্ন করে দিকনির্দেশ করছ
ধুলো বালি উড়ছে
দুলছে ধ্রুপদী চামর
শব্দের সঙ্গে দেখা হলেই হল
ঈশ্বর যেন স্বগতোক্তি করে
ছিন্নভিন্ন বসন্ত
শব্দের দাঁড় বায়
মৃত্যুঞ্জয় স্বয়ং
কৌতুক করে দূত
কতকাল ছায়া ভালোবাসা
সংবেদী হয়
সাগরের অপেক্ষা করে
সহাবস্থান খেলা
চেতনাস্তর ছুঁয়ে
উদঘাটন করে অভিমান
লোকায়ত বহুরৈখিক জীবন
বাজপাখি এক ফিরে যায়
পরিজনের সঙ্গে সমৃদ্ধ স্বর খলবল করে
ডিটেকটিভ যেন
তীরন্দাজ এক আখ্যান নিয়ে আসে
ছেঁটে দিতে কর্মশালায়
স্পর্ধিত গোলাপ
ঘটনাবহুল কাণ্ড করে যম, যমদূত
চকচকে লোভ,দুন্দুভি বাজায়
ডম্বরু এক নাচতে থাকে
শূন্যে ভাসে সাজানো বাড়ি, অভিশাপ
কীর্তিনাশা আষাঢ়ে মেঘ চ্ছলাৎ করে
খিড়কি দুয়ার খুলে বেড়ায়
বয়ান সব ঘুরে যায়
উপঢৌকন চলে না
ঊর্ধে আছে স্বাধীনতা
পার্থিব সুর
অন্ধকারের গর্ভে লেপ্টে আছে পরিত্রাণ
কুয়াশায় ভরে যায়
ঐকতান সুরে ভাসে
উন্মুক্ত অহংকার
সুখ দুঃখের অভিন্নতা
ছিটকে পড়ে
কীর্তনিয়া যায় যে চলে
স্নিগ্ধতা নির্ভেজাল, গমক চলে
মিতব্যয়ী হতে চেয়ে
ধীরভাবে এগিয়ে যায়
উপত্যকা থমকে দাঁড়ায়
উদগার বাসনা
এত বেশি কাঁটাগাছ
যারপরনাই উল্লাস
আড়ষ্টতায় উল্টে পড়ি
পরিচর্যা কুহক দেখায়
বনভূমি জাগতে থাকে
অনেক দূরে পথ দেখা যায়
জুচ্চোর এক ফুঁ দেয়
সদলবলে রাস্তা হাঁটে
জঞ্জালে ভরে আছে
মজুরি খাটে প্রান্তজন
নিভৃতে দিগন্ত ছোঁয়
জুয়ারি সঙ্গে থাকে
ফুল ফুটে রয়
তিলতণ্ডুল বেলপাতা অগুরু,চন্দন...