অশরীরী শব্দগুলো কোনঠাসা করে
ঝাঁপাতে থাকে
ঝাঁকুনি খেয়ে ভয়ে আহ্লাদে পিছুও হটি
ভেসে যায় ঢক্কানিনাদ
তাবড় তাবড় মহারথী সমঝে চলে
অভিমানী শব্দের বাজখাঁই গলা
বলতে আমার বাধা নেই
শব্দরা আমায় ভুলে থাকবে তা কি হতে পারে!
মাথাগরম লোক সামলানো চাট্টিখানি ব্যাপার? প্রসাদগুণে বেঁচেবর্তে থাকা
সততার মুখটি বড় বাঁকা
সৌম্যভাব নেই আবেশে পথ চলা
অতিশয় লালসা পথ জুড়ে দাঁড়ায়
প্রশংসিত হলেও স্তুতিবাদ ভয়ানক
এড়িয়ে চলতে হয় ছলাকলা
অনর্থক বাক্য প্রলুব্ধ করে তোমায়
অর্থশূন্য কথা বলা প্রলাপের নামান্তর
উপসর্গ থেকে বহুদূরে যাই
খ্যাঁক করে খেঁকশিয়াল
ছোট ছোট হাঁস কোমর দুলিয়ে চলে
পাইচারি করে সময়কাল
পাথর ছুঁড়ে শিশুরা খেলে
চরণকমলে এসে লাগে
বৃদ্ধরা বরাবরই বিন্যস্ত, মানুষ
চুয়ান্ন পেরোলেও দিব্যি
হন্তদন্ত করে চলে স্বপ্নের ভেতর
ছুটে বাড়ি ফেরে যেখানে যার ঘর
নিবাস কোথায়, পান্থপাদপ মরুভূমিতে গজায়
উন্মুখ কেন তুমি কথা বল ধীরেধীরে
দুপায়ে হাঁটি দোটানায় পড়ি কোনদিকে যেতে হবে
বুঝতেই
পারিনা দেয়াল এসে অলৌকিক বাধা দেয়
অমানুষী কথা বলে দৈববাণী চলে অদৃষ্টের ফের দুর্ঘটনা ঘটে প্রত্যাদেশে ফিরে যাই
মানুষের ইচ্ছার অধীন নয় যা কিছু তা ছুঁয়ে ফেলি
আশ্চর্য অপ্রত্যাশিত ভাবে বিনীত হয়ে ওঠে
আচ্ছাদিত হয়ে ফিরি মাথা উচুঁ করা
তুড়ি দেওয়া চলতে থাকে
গান যে চলে আমার সঙ্গে
পুন্যস্থান বলি তাকে
তিলকচিহ্ন ধারণ করে
যৎসামান্য ঘোরাফেরা
বৈষ্ণব অঙ্গে তিলক সেবা
পরিমিত জ্ঞান
জ্ঞানশূন্য করে আমায়
No comments:
Post a Comment