তখতে বসে দিনগুলো যায়
একটু বিপন্নতা তো ছিলই
জালিয়াত ঘোরাফেরা করে
দেখে হরবোলা ভালোবাসা
রং রূপ পাল্টায়
সাহায্যকারী কিছু হাত এগিয়ে এসে
মোক্ষম প্রশ্নে জর্জরিত করে
কিছু ক্রূর অভিলাষ স্ফুর্তি পায়
টুকরো টুকরো স্পর্ধা জুড়তে চায়
নিষিদ্ধ প্রণয়
বাতায়ন খুলে দেখেছিল কেউ মালতীপুষ্প
জাতিস্মর তার পূর্বজন্মের কথা মনে রেখে
হেসে উঠেছিল। গত জনমের কথা
কবিতায় যেমন থাকে
মাধবীলতা দুলতে থাকে ঘরের সামনে
আজকাল দুধ দই,ঘি ফেলে রেখে
গোমূত্র গোময়কে কাছে রাখে
টোটকার কথা ভুলে গিয়ে তাঁবেদার
নাসারন্ধ্র কাঁপায়
দালানকোঠা পড়ে থাকে
ভ্রমণে যায় তরুণ তার দলবল নিয়ে
তালগাছ তালগাছ রসে বস
জোতদার এক হিমসিম খায়
দু'হাত ধরো তুমি
নির্বোধ দিনগুলি কেবল বেরিয়ে যায়
নোঙর ফেলে জাহাজ
দূরবর্তী এক পথ ইশারা করে
জলবিহারে নেমে পড়ে স্মৃতির হংসগুলি
পালকে জল নেই অতলে ডুবে আছে পা
দুগ্ধ খেয়ে জলটুকু ফেলে রাখে
জলবিম্ব বাতিঘরের বুকে
স্মারকচিহ্ন এঁকেবেঁকে ভীরুবেলা যায়
জলের উঠানামা টের পায়
দীর্ঘপথে ছড়িয়ে থাকে চাঁদের আভা
রাত বাড়লেই ব্রাত্য দুঃসাহসিক এক দঙ্গল যুবক
শ্লেষ আর বিদ্রুপ ছোঁড়ে পাড়া কাঁপায়
No comments:
Post a Comment